সহসাই কাটছে ঘরে বসেই
ডিজিটাল কেনাকাটার ভোগান্তি। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক আদেশে অনলাইনে বিদেশ থেকে পণ্য বা সেবা কেনার জন্য ব্যাংকের কাছ থেকে আগে ছাড়পত্র নেওয়ার নিয়ম জারি হওয়ায় বিড়ম্বনায় পড়েন তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারকারীরা। বিশেষ করে দেশের অভ্যন্তরে ই-কমার্স ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, ডোমেইন ও হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট বা গেম তৈরির কাজ জড়িত ডেভেলপার এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারের মতো ফ্রিল্যান্সাররা সবচেয়ে বিপাকে পড়তে শুরু করেন।
এমন পরিস্থিতিতে গত ১৩ নভেম্বর বিষয়টি সবার আগে কর্তৃপক্ষের নজরে আনে ডিজিবাংলা। ওইদিনই রাতেই সংগঠনের অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল হক অনু’র নেতৃত্বের এ বিষয়ে জরুরী বৈঠক করে ই-ক্যাব।
ফেসবুক, গুগল ও ইউটিউবে অনলাইন পেমেন্ট ব্লকেজ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ হওয়ার পর বিষয়টি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে তদবির শুরু করে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গর্ভর্নরের সঙ্গে দেখা করেন
বেসিস সভাপতি আলমাস কবির।

এমন পরিস্থিতিতে ২২ নভেম্বর রাতে আশার কথা জানালেন যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে তিনি জানান,
”সাম্প্রতিক সময়ে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কড়াকড়ির কারণে আমাদের অসংখ্য ফ্রিল্যান্সার ও আইটি সেক্টরের সাথে জড়িত অনেকেই বিভিন্ন রকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এ বিষয়টি আর্কিটেক্ট অফ ডিজিটাল বাংলাদেশ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ভাইয়ের নজরে আসে এবং তিনি এটি দ্রুত সমাধান করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর কে নির্দেশনা প্রদান করেন।
আশা করছি ফ্রিল্যান্সারদের কল্যাণে এবং আইটি সেক্টরের প্রসারে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই কড়াকড়ি শিথিল করা হবে।।”